এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারীর স্বজন শ্রী বাধন কুমার হালদার লালপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পালিদেহা গ্রামের মহাসিন খাঁর ছেলে মোস্তফা আলী (৩০) দীর্ঘদিন ধরে একই গ্রামের ৪১ বছর বয়সী এক নারীকে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন। ওই নারীর স্বামী মারা যাওয়ার পর তিনি একা বসবাস করায় তাকে অনৈতিক প্রস্তাব ও নানা ধরনের হয়রানি করা হতো বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
রোববার দুপুরে ওই নারী রান্নাঘরে কাজ করছিলেন। এ সময় মোস্তফা আলী হাতে হাসুয়া নিয়ে ঘরে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে ওই নারীর চিৎকার শুনে তাঁর ভাগ্নে কিশোর হালদার এগিয়ে এসে বাধা দেন।
এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মোস্তফা আলী হাসুয়া দিয়ে কিশোরের পিঠসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে পালিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয়রা আহত কিশোরকে উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে চিকিৎসকেরা তাঁর শরীরে ২০ থেকে ২৫টি সেলাই দেন। তিনি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
ভুক্তভোগী নারী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত ব্যক্তি তাকে বিরক্ত করছিলেন। রোববার জোর করে ঘরে ঢুকে অনৈতিক কাজের চেষ্টা করলে তিনি চিৎকার দেন। এ সময় তাঁর ভাগ্নে বাধা দিতে গেলে তাকে কুপিয়ে আহত করা হয়।
অভিযোগকারী বাধন কুমার হালদার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা দাবি করেছেন।
অভিযুক্ত মোস্তফা আলীর বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম লিখিত অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য