দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) লিয়াকত সালমান।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) সন্ধ্যা থেকে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও পৌরসভা এলাকার মণ্ডপগুলো পরিদর্শন করে তিনি সার্বিক প্রস্তুতি, নিরাপত্তাব্যবস্থা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে ইউএনও পূজামণ্ডপ পরিচালনা কমিটির নেতাদের সঙ্গে কথা বলেন এবং মণ্ডপের নিরাপত্তাব্যবস্থা, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনসহ বিভিন্ন বিষয় খোঁজখবর নেন।
লিয়াকত সালমান বলেন, দুর্গোৎসব নির্বিঘ্নে উদ্যাপন নিশ্চিত করতে উপজেলা প্রশাসন তৎপর রয়েছে। পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। সনাতন ধর্মাবলম্বীরা যাতে শান্তিপূর্ণভাবে উৎসব উদ্যাপন করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
উপজেলা পূজা উদ্যাপন ঐক্য ফ্রন্টের তথ্য অনুযায়ী, পুঠিয়া উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় এবার মোট ৫৭টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে পুঠিয়া পৌরসভায় ১৬টি, জিউপাড়া ইউনিয়নে ১২টি, বানেশ্বরে চারটি, ভাল্লুকগাছি ইউনিয়নে চারটি, পুঠিয়া সদর ইউনিয়নে একটি এবং শিলমাড়িয়া ইউনিয়নে ১৯টি মণ্ডপ রয়েছে।
একাধিক পূজামণ্ডপের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক জানান, পূজার আগে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে অনুষ্ঠিত সভায় তাঁরা প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা পেয়েছেন। সেই নির্দেশনা অনুযায়ী পূজার আয়োজন করা হয়েছে। প্রশাসন ও পুলিশের তৎপরতায় এখন পর্যন্ত কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি বলেও তাঁরা জানান।
পরিদর্শন শেষে পূজামণ্ডপগুলোর সার্বিক কার্যক্রম ও প্রস্তুতি দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন ইউএনও।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী জেলা যুবদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ও পুঠিয়া উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি জুলফিকার রহমান ভুট্ট, পুঠিয়া দলিল লেখক কল্যাণ সমিতির কোষাধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান উজ্জ্বল, পুঠিয়া ত্রিমোহনী বাজার বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল হক মামুন, যুবনেতা রোকনুজ্জামান রিকো মণ্ডল এবং উপজেলা হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান কল্যাণ ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক সুজন কুমার ঘোষসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
মন্তব্য