admin
২ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ৫:৫০ পূর্বাহ্ন
অনলাইন সংস্করণ

সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ বাতিল প্রশ্নে বিচার বিভাগের রায় ঘোষণা শুরু

বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুলের রায় ঘোষণা শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চে রায় ঘোষণা শুরু হয়।

গত ১৩ আগস্ট বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষ হয়। একইসঙ্গে এ বিষয়ে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করা হয়।

সেদিন আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। ইন্টারভেনর হিসেবে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট আহসানুল করিম।

গত ২৩ এপ্রিল বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বৈধতা প্রশ্নে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শুরু হয়।

বিচার বিভাগের নিয়ন্ত্রণ সংক্রান্ত সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদন নিষ্পত্তির জন্য হাইকোর্টে বেঞ্চ গঠন করে দেন প্রধান বিচারপতি। গত ২০ এপ্রিল প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ এ বেঞ্চ নির্ধারণ করেন।

এর আগে মামলাটি বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে শুনানি ও নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ছিল। তবে গত ২৪ মার্চ বিচারপতি ফারাহ মাহবুব আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ পাওয়ায় সেই বেঞ্চটি ভেঙে যায়। এরপর সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ সংক্রান্ত মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য নতুন বেঞ্চ নির্ধারণের আবেদন করেন রিটকারী আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

তিনি গত বছরের ২৫ আগস্ট ১০ জন আইনজীবীর পক্ষে মূল সংবিধানের ১৯৭২ সালের ১১৬ অনুচ্ছেদ পুনর্বহালের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিটটি দায়ের করেন। পরে হাইকোর্ট রুল জারি করে জানতে চানু বিদ্যমান সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ কেন অসাংবিধানিক ঘোষণা করা হবে না।

বর্তমানে প্রযোজ্য (সংশোধিত) সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘অধস্তন আদালতের দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ (কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতি, ছুটি মঞ্জুরিসহ) ও শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত থাকবে।’ কিন্তু ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছিল, ‘বিচারকর্মবিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচার বিভাগীয় দায়িত্বে নিযুক্ত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধান সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত থাকবে।’

বিদ্যমান সংবিধানের অনুযায়ী বিচার বিভাগের কর্মকর্তাদের নিয়োগ, পদায়ন, বদলি, পদোন্নতি, ছুটি ও শৃঙ্খলাবিধির ক্ষেত্রে নির্বাহী বিভাগের প্রভাব রয়েছে, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মন্তব্য

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

সান্তাহার পৌর সভায় দুর্গা পুজা উপলক্ষে প্রস্তুতি সভা

১

চারঘাটে ভ্যানচালককে কুপিয়ে ভ্যান ছিনতাই

২

চারঘাটে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে তথ্যসংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ

৩

নলডাঙ্গায় ট্রেনের ধাক্কায় এক ব্যক্তির মৃত্যু

৪

চারঘাটে নবাগত ওসির সঙ্গে সাংবাদিকদের মতবিনিময়

৫

ফ্যাসিবাদী আওয়ামীলীগ সুপরিকল্পিতভাবে দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে ধ্বংস করেছে – হুইপ দুলু

৬

গাইবান্ধাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে রাজশাহীর জয়

৭

পুলিশের যৌথ অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার, গ্রেপ্তার সাজাপ্রাপ্ত আসামি

৮

বগুড়ায় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শহীদ পরিবার সোসাইটির স্মরণসভা

৯

বগুড়ার মিডিয়া কাপ টি-টেন ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ট্রফি ও জার্সি উন্মোচন

১০

বগুড়ায় রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংকের চেয়ারম্যানের সঙ্গে শাখা ব্যবস্থাপকদের মতবিনিময় সভা

১১

বগুড়ায় বিশ্ব ডাক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি

১২

চারঘাটে জামায়াতের যুব বিভাগের দায়িত্বশীল সমাবেশ অনুষ্ঠিত

১৩

ঈশ্বরদীতে জেলিযুক্ত চিংড়ি বিক্রি, ব্যবসায়ীকে জরিমানা

১৪

আত্রাইয়ে আগুনে পুড়ে নিঃস্ব ফেরদৌসকে সহায়তা দিল উপজেলা প্রশাসন

১৫

আদমদীঘিতে দুর্গাপূজা উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা

১৬

নাটোর রেলস্টেশনে জার্মান তরুণের ল্যাপটপ-ক্যামেরাসহ ব্যাগ চুরি

১৭

নওগাঁয় চালকলের বয়লার বিস্ফোরণে শ্রমিক নিহত, আহত-৪

১৮

নাটোরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ, প্রধান শিক্ষক’কে অনির্দিকালের ছুটি

১৯

সুমাইয়া’ সেজে প্রবাসীর সঙ্গে প্রেম, বাবা-ছেলে আটক

২০