রাজশাহীর বাঘায় শুরু হয়েছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব—শারদীয় দুর্গাপূজা। উৎসবের এই আমেজে উপজেলার ৪৬টি পূজামণ্ডপ সাজানো হয়েছে বর্ণিল রঙে, যা রীতিমতো চোখধাঁধানো। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে এই উৎসবকে ঘিরে তৈরি হয়েছে সম্প্রীতির এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।
সম্প্রতি বাঘা উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ ঘুরে দেখেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাম্মি আখতার, বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ আসাদুজ্জামানসহ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ। বিশেষভাবে নজর কাড়েন রাজশাহীর চারঘাট-বাঘা আসনের বিএনপি মনোনয়ন প্রত্যাশী ও জেলা আহ্বায়ক আবু সাঈদ চাঁদ, বাঘা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান খান মানিক এবং জেলা বিএনপির নেতা আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল।
মণ্ডপ পরিদর্শনকালে বিএনপি নেতারা বলেন, সারাদেশের মতো বাঘাতেও শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে দুর্গাপূজা পালিত হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিরবিচারে কাজ করে চলেছে, যার ফলে এখনো কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। এ জন্য তাঁরা প্রশাসনকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
নেতারা আরও বলেন, “দেশ আজ এক কঠিন সময় পার করছে। মানুষের একটাই দাবি—একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। দেশে যারা অরাজকতা ছড়াতে চায়, তাদের অপচেষ্টা রুখে দেওয়া হবে।”
তাঁরা আশাবাদ ব্যক্ত করে জানান, “তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ সত্যিকারের সোনার দেশে পরিণত হবে। সংখ্যালঘু বলে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না। হিন্দু সম্প্রদায়ের সন্তানদের চাকরির ক্ষেত্রে কোটা দেওয়া হবে। এ দেশ সবার, এই দেশেই আমরা মিলেমিশে বাঁচতে চাই।”
দলের পক্ষ থেকে শহীদ জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা স্মরণ করে নেতারা বলেন, “এ দেশের মাটি ও মানুষের হৃদয়ে শহীদ জিয়ার নাম চিরভাসমান। জনগণের সহযোগিতায় তারেক রহমানের নেতৃত্বেই আগামীদিনে দেশ পরিচালিত হবে।”
এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন বাঘা উপজেলা ও দুই পৌর বিএনপির নেতাকর্মী, সাতটি ইউনিয়ন বিএনপির নেতারা এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক কর্মীবাহিনী।
মন্তব্য