
বাংলাদেশে অনলাইন জুয়ার বিস্তার ও সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট মহল। সম্প্রতি প্রকাশিত সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ, ২০২৫ অনুযায়ী, অনলাইন জুয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকলে সর্বোচ্চ ২ বছরের কারাদণ্ড, ১ কোটি টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড অথবা উভয় দণ্ড হতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। সংস্থাটি নাগরিকদের সচেতন থাকার এবং জুয়া থেকে দূরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অবৈধ অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো বিভিন্ন কৌশলে বাংলাদেশি ব্যবহারকারীদের টার্গেট করছে। অভিযোগ রয়েছে, এসব প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে প্রতারণা, অর্থ পাচার ও আন্তর্জাতিক সাইবার অপরাধ সংঘটিত হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে বিদেশি চক্রের সংশ্লিষ্টতার কথাও উঠে এসেছে, যারা উন্নত কোডিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাদের কার্যক্রম গোপন রাখার চেষ্টা করছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তথ্যপ্রযুক্তি বিশ্লেষকরা সতর্ক করে বলেছেন, সাইবার নিরাপত্তা অবকাঠামো শক্তিশালী না হলে অনলাইন অপরাধ দমন কঠিন হয়ে পড়বে। তারা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, অনলাইন জুয়া ও সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমনে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং সন্দেহজনক কার্যক্রম শনাক্তে বিশেষ টাস্কফোর্স কাজ করছে।
মন্তব্য