নাটোরের লালপুরে তেল বিক্রির অনিয়মের ভিডিও ধারণ করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছেন সাংবাদিক ওমর ফারুক। আহত অবস্থায় তাকে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন সাংবাদিক ওমর ফারুককে দেখতে যান লালপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ পাপ্পু। এ সময় তিনি তার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেন এবং ঘটনার সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন।
হারুনুর রশিদ পাপ্পু বলেন, “এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এটি স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর সরাসরি হস্তক্ষেপ। আমি এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই।”
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন লালপুর সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম রবি, বিএনপি নেতা ইকবাল হোসেন বাবলু এবং উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু রায়হানসহ অন্যান্য নেতাকর্মীরা।
জানা যায়, মঙ্গলবার রাত প্রায় ৮টার দিকে উপজেলার কদিমচিলান এলাকার সাদিয়া তেল পাম্পে এ ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী সাংবাদিক ওমর ফারুক, যিনি এশিয়ান টেলিভিশনের লালপুর প্রতিনিধি হিসেবে কর্মরত, জানান—পাম্পটিতে মোটরসাইকেলে ১০০ টাকার তেল দেওয়া হচ্ছিল। এ সময় তিনটি ৫০ লিটারের কন্টেইনারে তেল দেওয়ার দৃশ্য ধারণ করতে গেলে তাকে বাধা দেওয়া হয়।
তিনি অভিযোগ করেন, কদিমচিলান ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আব্দুল বারী প্রথমে তাকে গালাগাল করেন। পরে পুলিশের উপস্থিতিতেই ৫-৬ জন ব্যক্তি তাকে মারধর করে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আব্দুল বারী বলেন, তিনি হামলায় জড়িত নন। তিনি শুধু ভিডিও ধারণে নিষেধ করেছিলেন, পরে কিছু উত্তেজিত ব্যক্তি ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত হয়।
লালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মুজিবুর রহমান জানান, এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য