নাটোরের লালপুর উপজেলার আজিমনগর রেলওয়ে স্টেশনে আন্তঃনগর চিলাহাটি এক্সপ্রেস ট্রেনের যাত্রাবিরতির সিদ্ধান্তে এলাকাবাসীর মাঝে আনন্দের বন্যা বইছে। দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হওয়ায় স্থানীয় ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষ স্বস্তি প্রকাশ করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, আজিমনগর স্টেশনে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ না থাকায় দীর্ঘদিন ধরে যাত্রীদের ভোগান্তি পোহাতে হতো। বিশেষ করে ঢাকা ও উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে যাতায়াতে অতিরিক্ত সময় ও খরচ গুনতে হতো সাধারণ মানুষকে।
স্থানীয়দের দাবি, সাবেক সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুলের প্রচেষ্টা ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগের ফলেই আজিমনগর স্টেশনে চিলাহাটি এক্সপ্রেসের স্টপেজ নিশ্চিত হয়েছে। এর আগে তার বাবা মরহুম ফজলুর রহমান পটল প্রতিমন্ত্রী থাকাকালে লালমনি এক্সপ্রেস ট্রেনের স্টপেজের ব্যবস্থা করেছিলেন।
আজিমনগর বাজারের ব্যবসায়ী ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতারা বলেন, এ স্টপেজ চালুর ফলে এলাকার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও গতিশীল হবে। শিক্ষার্থী, রোগী ও কর্মজীবী মানুষের যাতায়াত সহজ হবে।
স্টপেজ চালুর খবরে আজিমনগর স্টেশন এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা আশা করছেন, ভবিষ্যতে আরও আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ চালু হলে এ অঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
অপরদিকে, প্রতিশ্রুতির আড়াই মাস অতিবাহিত হলেও পার্শ্ববর্তী বাগাতিপাড়া উপজেলার কাদিরাবাদ ক্যান্টনমেন্ট ও বাউয়েট ইউনিভার্সিটি সন্নিকটে এবং উপজেলা হেডকোয়ার্টারে অবস্থিত বন্ধ থাকা মালঞ্চি রেলস্টেশন পুনরায় চালু এবং সেখানে আন্তঃনগর ট্রেনের স্টপেজ না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন বাগাতিপাড়াবাসী।
মন্তব্য