নাটোর জেলার ইতিহাস, ঐতিহ্য, সংস্কৃতি আর মানুষের প্রাণের স্পন্দনকে সামনে রেখে এবার সূচনা হলো নতুন এক দৈনিক পত্রিকার। গত ২৩ জুলাই ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ তারিখে জেলা প্রশাসক আসমা শাহীন মহোদয়ার দপ্তর থেকে আমি দৈনিক “এই নাটোর” পত্রিকার ঘোষণাপত্র (ডিক্লারেশন) লাভ করি। এর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু হলো একটি নতুন স্বপ্নের—একটি পত্রিকা, যা হবে নাটোরবাসীর কণ্ঠস্বর।
দৈনিক “এই নাটোর” প্রকাশিত হবে বাগাতিপাড়া পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডে (মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্সের বিপরীতে) অবস্থিত দৈনিক এই নাটোর ভবন থেকে। প্রকাশনার মাধ্যমে আমরা চাই নাটোরের প্রতিটি প্রান্তের কথা তুলে ধরতে, শহরের অগ্রগতি থেকে শুরু করে গ্রামীণ জনজীবনের সুখ-দুঃখ, শিক্ষা, সংস্কৃতি, কৃষি, শিল্প, খেলাধুলা ও সাহিত্যচর্চার বাস্তব চিত্র।
কেন প্রয়োজন একটি স্থানীয় দৈনিক?
জাতীয় সংবাদপত্রগুলো আমাদের দেশের গৌরব হলেও স্থানীয় সমস্যা, সম্ভাবনা ও উন্নয়নকাজ অনেক সময় সেসব পাতায় প্রাধান্য পায় না। নাটোরের কৃষি, চলনবিলের সৌন্দর্য, শিল্প-সংস্কৃতি কিংবা স্থানীয় মানুষের সমস্যা-সংকট—এসবকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করার জন্য দরকার একটি নিজস্ব প্ল্যাটফর্ম। “এই নাটোর” সেই প্ল্যাটফর্ম গড়ে তুলতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
আমাদের লক্ষ্য ও অঙ্গীকার
নিরপেক্ষতা, বস্তুনিষ্ঠতা ও ন্যায়নিষ্ঠা বজায় রেখে সংবাদ পরিবেশন
স্থানীয় মানুষের সমস্যা, উন্নয়ন, সম্ভাবনা ও প্রাপ্তি সামনে আনা
তরুণ প্রজন্মের সাহিত্য, শিল্প ও সৃজনশীলতার জায়গা তৈরি করা
নাটোরকে সারা দেশের কাছে পরিচিত করে তোলা
অঞ্চলের কণ্ঠস্বর হবে ‘এই নাটোর’
আমাদের মূল শক্তি হবে নাটোরের মানুষ। আমরা চাই পাঠক, লেখক, সাংবাদিক, পাঠশালা থেকে শুরু করে কৃষক পর্যন্ত—সবাই যেন এই দৈনিককে নিজেদের মনে করেন। পত্রিকার পাতায় থাকবে জনজীবনের খবর, থাকবে চলনবিলের জেলে থেকে কৃষকের গল্প, নাটোরের কৃতি সন্তানদের সাফল্য, মুক্তিযোদ্ধাদের সংগ্রামী ইতিহাস এবং তরুণদের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা।
সমাপনী কথা
দৈনিক “এই নাটোর” শুধুমাত্র একটি সংবাদপত্র নয়—এটি হবে নাটোরের হৃদয়ের প্রতিচ্ছবি। সত্য ও সুন্দরকে ধারণ করে আমরা এগিয়ে যাবো। আপনার ভালোবাসা, সহযোগিতা ও গঠনমূলক সমালোচনা আমাদের প্রেরণা হয়ে থাকবে।
মন্তব্য