নাটোরের বাগাতিপাড়া পৌরসভার পেড়াবাড়িয়া মহল্লার ৭ বছরের শিশু রোহান মাহমুদ।
বয়স মাত্র ৭, পড়াশোনা করছে বাগাতিপাড়া পৌর প্রি-ক্যাডেট স্কুলের ১ম শ্রেণিতে। খেলার মাঠে দৌড়ঝাঁপ করা, আজানের ধ্বনি শুনে মসজিদে ছুটে যাওয়া—এই ছিল তার প্রতিদিনের স্বপ্ন আর আনন্দ।
কিন্তু হঠাৎ করেই সে আক্রান্ত হয় এক বিরল ও জটিল রোগে—এ্যাপলাস্টিক অ্যানিমিয়া।
ডাক্তারেরা জানিয়েছেন, রোহানকে বাঁচাতে হলে ব্যয়বহুল অপারেশন অথবা বিশেষ ইনজেকশন প্রয়োগ করতে হবে। চিকিৎসার খরচ প্রায় ৩০-৪০ লক্ষ টাকা। প্রতিটি ইনজেকশনের মূল্য প্রায় ২-৩ লক্ষ টাকা। সাধারণ ভ্যানচালক বাবার পক্ষে এ খরচ বহন করা একেবারেই অসম্ভব।
রোহানের মা রুনি খাতুন জানান, প্রথমে শরীরে কালচে দাগ, তারপর জ্বর, বমি ও রক্তক্ষরণে ছেলের অবস্থা দিন দিন খারাপ হতে থাকে। এক হাসপাতাল থেকে আরেক হাসপাতালে ঘুরে অবশেষে ঢাকার শিশু হাসপাতালে ভর্তি হয়েও সমাধান মিলছে না। প্রতিনিয়ত রক্ত দিতে হচ্ছে, যার খরচও অনেক।
রোহানের বাবা রবিউল ইসলাম বলেন—
“আমি ভ্যান চালিয়ে কষ্টে সংসার চালাই। ছেলেকে বাঁচাতে যা পারছি করছি, কিন্তু এত ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ আমার পক্ষে সম্ভব নয়। দেশবাসীর কাছে আমার হাত পাতা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। আপনারা দয়া করে আমার ছেলেকে বাঁচাতে সাহায্যের হাত বাড়ান।”
রোহানের স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা সকলেই দেশবাসী ও বৃত্তবানদের কাছে মানবিক সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন।
📌 সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা:
রোহানের পিতা: রবিউল ইসলাম
📱 বিকাশ নম্বর: ০১৭৯১-৬৪০২৯৮
মন্তব্য