ঢাকার পল্লবীতে দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার হত্যা মামলার আসামি সোহেল রানার শাস্তি দাবি করেছেন তার বাবা-মাসহ পরিবারের সদস্যরাও। সোহেল রানার বাড়ি নাটোরের সিংড়া উপজেলা মহেষচন্দ্রপুর গ্রামে।
বৃহস্পতিবার সকালে গ্রামে গিয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ছোটবেলায় তার নাম ছিল শুধু রানা। পঞ্চম শ্রেণির পর আর পড়াশোনা করেননি। পরে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পরিচিতি পান এবং বিভিন্ন নামে পরিচিত ছিলেন। স্থানীয়দের দাবি, অতীতে চুরির মামলায় জেলও খেটেছেন তিনি।
রানার চাচা রেজাউল করিম জানান, গ্রামের বাজারে তার সাইকেল মেরামতের দোকান ছিল। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর দ্বিতীয় বিয়ে করে প্রায় চার বছর আগে ঢাকায় চলে যান। এরপর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগও কমে যায়।
তিনি বলেন, “রানা গুরুতর অন্যায় করেছে। আমরা তার শাস্তি চাই।”
সোহেল রানার মা খদেজা বেগম বলেন, “ছেলের প্রতি বাবা-মায়ের ভালোবাসা থাকে। কিন্তু সে যা করেছে, এরপর আর তাকে ভালোবাসা যায় না। আমরা তার বিচার চাই।”
বাবা জেকের আলীও বলেন, “আমার ছেলে এমন কাজ করতে পারে বিশ্বাস করা কঠিন। কিন্তু অপরাধ করলে তার বিচার হওয়া উচিত। আইন যে শাস্তি দেবে আমরা মেনে নেব।”
মন্তব্য