রাজশাহীর পুঠিয়া উপজেলায় এক নারীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের পাঁচ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার গভীর রাতে পুঠিয়া থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার পরপরই অভিযান চালিয়ে ধোপাপাড়া কারিগরপাড়া এলাকার বাসিন্দা মো. মুরাদ (৩২) নামে এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার অন্য আসামিরা হলেন জিউপাড়া ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মো. ফিরোজ, জিউপাড়া ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্যসচিব সাইফুল ইসলাম, বিএনপি কর্মী মো. বুলবুল ও যুবদল কর্মী মো. সুমন। এছাড়া অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
অভিযোগকারী নারী নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলার বাসিন্দা। তিনি দীর্ঘদিন ধরে পুঠিয়া এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করছিলেন। সম্প্রতি উপজেলার ধোপাপাড়া কারিগরপাড়া এলাকায় নতুন একটি বাসা ভাড়া নিয়ে সেখানে ওঠেন।
মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, গত ৪ জুন রাতে একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে অভিযুক্তরা ওই নারীর বিরুদ্ধে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ তোলে। একপর্যায়ে তাকে জোরপূর্বক নিয়ে গিয়ে শারীরিক নির্যাতন ও সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।
ঘটনার পর ভুক্তভোগী নারী থানায় অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ মামলা গ্রহণ করে। তদন্তের অংশ হিসেবে শনিবার তাকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
তবে অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। তাদের দাবি, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে।
পুঠিয়া থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য ও আলামতের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
মন্তব্য