
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপের ম্যাচে ব্রাজিল তারকা Neymar Jr.-এর প্রত্যাবর্তন ঘিরে সমর্থকদের উন্মাদনা ছিল তুঙ্গে। দীর্ঘ ইনজুরি কাটিয়ে প্রায় তিন বছর পর আবারও জাতীয় দলের জার্সিতে মাঠে নামলেন তিনি। ম্যাচের ৭৬তম মিনিটে মাতেউস কুনিয়ার বদলি হিসেবে মাঠে নামেন ব্রাজিলের সর্বকালের অন্যতম সেরা এই ফরোয়ার্ড।
দিনের হিসাবে ৯৮১ দিন পর ব্রাজিলের হয়ে খেললেন নেইমার। এর আগে ২০২৩ সালের ১৭ অক্টোবর Uruguay national football team-এর বিপক্ষে বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের ম্যাচে শেষবার মাঠে নেমেছিলেন তিনি। সেই ম্যাচে পাওয়া হাঁটুর গুরুতর চোট তাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য মাঠের বাইরে ছিটকে দেয়।
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে এই ম্যাচটি নেইমারের ক্যারিয়ারে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হয়ে এসেছে। ব্রাজিলের বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সি পরে বিশ্বকাপে এটি ছিল তার ১৪তম ম্যাচ। এর মাধ্যমে তিনি কিংবদন্তি Pelé ও Rivaldo-এর সমান সংখ্যক বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলার কীর্তি গড়েছেন।
এছাড়া জাতীয় দলের হয়ে ১০ নম্বর জার্সি পরে নেইমারের ম্যাচসংখ্যা এখন ৯৮-এ পৌঁছেছে। এই তালিকায় শীর্ষে থাকা পেলের ১০৫ ম্যাচের রেকর্ড স্পর্শ করতে তার প্রয়োজন আরও কয়েকটি ম্যাচ। আর মাত্র দুটি ম্যাচ খেললেই ব্রাজিলের হয়ে ১০ নম্বর জার্সিতে শততম ম্যাচ পূর্ণ করবেন তিনি।
ম্যাচের আগে ব্রাজিল কোচ Carlo Ancelotti জানিয়েছিলেন, নেইমার পুরোপুরি ফিট এবং প্রয়োজন হলে পুরো ম্যাচ খেলার জন্য প্রস্তুত। যদিও তাকে শুরু থেকে একাদশে রাখা হয়নি, তবে দ্বিতীয়ার্ধে তার মাঠে নামা সমর্থকদের জন্য স্বস্তির বার্তা হয়ে আসে।
বিশ্বকাপের নকআউট পর্বের আগে নেইমারের এই প্রত্যাবর্তন ব্রাজিল শিবিরে নতুন আত্মবিশ্বাস যোগ করেছে। অভিজ্ঞ এই তারকার উপস্থিতি সেলেসাওদের শিরোপা লড়াইয়ে আরও শক্তিশালী করে তুলবে বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা।
মন্তব্য