হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯) এর অভিযানে বানিয়াচংয়ের ২ জনসহ হবিগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ জেলার মোট ৯ জন চিহ্নিত দালালকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) দুপুরে র্যাব-৯ শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার শাহ আলমের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে হবিগঞ্জ জেলার ৮ জন ও সুনামগঞ্জ জেলার ১ জন দালালকে আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন—
সুনামগঞ্জের হাতিয়া গ্রামের হরুফ মিয়ার পুত্র কাউসার মিয়া (৩০),
হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার কান্দিপাড়া গ্রামের প্রশন্ন দাসের পুত্র অশিত দাস (৪০),
একই উপজেলার সতমুখা গ্রামের মজর আলীর পুত্র বিলু মিয়া (৪০),
সদর উপজেলার পইল গ্রামের আরজ আলীর পুত্র রমিজ আলী রনি (২৭),
হবিগঞ্জ শহরের আনন্তপুর এলাকার সাইদ শাহের পুত্র কামাল শাহ (২৫),
আনন্দপুর এলাকার আকল আলীর পুত্র আসাদুজ্জামান রিপন (৪৩),
চুনারুঘাট উপজেলার ফুলগাঁও গ্রামের বেলাল মিয়ার পুত্র আব্দুল খালেক মিয়া (২৭),
আজমিরীগঞ্জ উপজেলার জলসুখা গ্রামের নিকুঞ্জ ঘোষের পুত্র নিতু ঘোষ (৩৫)
এবং সদর উপজেলার আব্দুল্লাহপুর গ্রামের নিখিল রায়ের পুত্র সৌরভ রায় (২২)।
পরে আটককৃতদের জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহসিন মিয়ার আদালতে হাজির করা হলে, ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে প্রত্যেককে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করা হয়।
র্যাব-৯ এর কোম্পানি কমান্ডার শাহ আলম বলেন,
“দীর্ঘদিন ধরে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে একটি দালাল চক্র সক্রিয় ছিল। তারা রোগীদের প্রলোভন দেখিয়ে বেসরকারি ক্লিনিক বা হাসপাতালে নিয়ে গিয়ে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিল। এই তথ্য আমাদের গোয়েন্দা নজরে এলে অভিযান পরিচালনা করা হয়।”
এ বিষয়ে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহসিন মিয়া বলেন,
“গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯ এর একটি টিম অভিযান চালিয়ে নয়জন চিহ্নিত দালালকে আটক করে। তারা সরকারি হাসপাতাল থেকে রোগী সরিয়ে ভুল চিকিৎসার মাধ্যমে প্রতারণা করত। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেককে কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।”
মন্তব্য