২৫ বৈশাখ, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর-এর ১৬৫তম জন্মবার্ষিকী। এ উপলক্ষে কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত পতিসর কাচারিবাড়িতে বইছে উৎসবের আমেজ। সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ও নওগাঁ জেলা প্রশাসন-এর আয়োজনে রাষ্ট্রীয়ভাবে পালিত হচ্ছে রবীন্দ্রজয়ন্তী।
নাগর নদীর তীরে অবস্থিত পতিসর ছিল কবিগুরুর জমিদারি এলাকা। ১৮৯১ সালে জমিদারি তদারকির জন্য প্রথম এখানে আসেন তিনি। সর্বশেষ আসেন ১৯৩৭ সালে। পতিসরের কুঠিবাড়ি ও নাগর নদীতে ‘পদ্মা বোটে’ অবস্থানকালে তিনি রচনা করেন অসংখ্য কবিতা, গল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ ও ‘বিদায় অভিশাপ’ কাব্যনাট্য। ‘ছিন্নপত্র’-এর বহু চিঠিও এখান থেকেই লেখা।
শুধু সাহিত্যচর্চাই নয়, এ অঞ্চলের কৃষক ও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নেও কাজ করেন রবীন্দ্রনাথ। নোবেল পুরস্কারের অর্থ থেকে এক লাখ টাকা ব্যয়ে কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে ‘কৃষি ব্যাংক’-এর আদলে কার্যক্রম চালু করেন তিনি। পাশাপাশি পতিসর ও কালিগ্রামে প্রতিষ্ঠা করেন দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
এবারের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু এমপি, সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এমপি, জাতীয় সংসদের সরকারি দলীয় হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দলু এমপি ও নওগাঁর সংসদ সদস্যরা। সভাপতিত্ব করবেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম বজলুর রশীদ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, অতিথিদের বরণে প্রস্তুত করা হয়েছে ‘দেবেন্দ্র মঞ্চ’। গ্রামজুড়ে এখন উৎসবের আবহ। আত্মীয়-স্বজনের আগমনে মুখর হয়ে উঠেছে জনপদ। বসেছে গ্রামীণ মেলাও। স্থানীয়দের কাছে এই আয়োজন এখন প্রাণের উৎসবে পরিণত হয়েছে।
মনিয়ারী ইউপি চেয়ারম্যান মো. সম্রাট হোসেন বলেন, রবীন্দ্রনাথ পতিসরে আধুনিক কৃষি ও সমবায় ব্যবস্থার ভিত্তি গড়ে দিয়েছিলেন। তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এলাকাবাসী প্রতিবছর এ দিনটির জন্য অপেক্ষা করেন।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, রবীন্দ্রজয়ন্তী উপলক্ষে পতিসর কাচারিবাড়ির সংস্কারসহ সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসন সার্বক্ষণিক কাজ করছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য শেখ মো. রেজাউল ইসলাম রেজু বলেন, কবিগুরুর স্মৃতিবিজড়িত পতিসর আজও মানুষের প্রেরণার উৎস। সম্মিলিত উদ্যোগে এবারের আয়োজন স্মরণীয় হয়ে
মন্তব্য