নাটোরের বাগাতিপাড়ায় চুরির ঘটনায় দায়ী না হয়েও এক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিককে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে হয়রানির অভিযোগ তুলেছে তার পরিবার।
শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকালে সংবাদ সম্মেলন করে তারা এ অভিযোগ উত্থাপন করেন এবং ন্যায়বিচারের দাবি জানান।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত ১ সেপ্টেম্বর রাতে উপজেলা চত্বরে অবস্থিত ‘নীলা ডোর’ নামের একটি কাঠের কারখানায় যন্ত্রপাতি চুরির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কারখানার ম্যানেজার আমির আলী বাদী হয়ে মালঞ্চি বাজারের সেইফ লাইফ ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মালিক মো. ওমর ফারুক (৪০)-কে প্রধান আসামি করে মামলা দায়ের করেন। পরে ৩ সেপ্টেম্বর রাতে পুলিশ তাকে আটক দেখায়।
সংবাদ সম্মেলনে ফারুকের ছেলে তৌসিপ আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, “আমার বাবা কোনোভাবেই এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত নন। ব্যক্তিগত স্বার্থে টেকনিশিয়ান উজ্জল কিছু মালামাল কিনেছিল, অথচ বিষয়টি আমাদের ওপর চাপিয়ে দিয়ে বাবাকে ফাঁসানো হয়েছে।”
ফারুকের স্ত্রী তারজিনা বেগম জানান, ঘটনার রাতে কয়েকজন লোক জোর করে তার স্বামীকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে মারধর করে। পরবর্তীতে থানায় গিয়ে তারা জানতে পারেন, ফারুককে চুরির মামলায় আটক দেখানো হয়েছে। তার অভিযোগ, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে মিথ্যা সংবাদ প্রচার করে আমাদের সম্মানহানি করা হচ্ছে।”
আইনজীবী সোহেল রানা বলেন, “অভিযোগ থাকলেই কাউকে মারধর করা আইনসঙ্গত নয়। পরিকল্পিতভাবে কাউকে ফাঁসানো অনৈতিক ও বেআইনি।”
ফারুকের পরিবারের দাবি, প্রকৃত ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে উদঘাটন করা হোক এবং নির্দোষ একজন মানুষকে মিথ্যা মামলায় হয়রানি বন্ধ করা হোক।
মন্তব্য