নাটোর জেলা কারাগারে কয়েদি ও হাজতিদের জন্য সরবরাহ করা খাবারের মান একেবারেই নিম্নমানের বলে অভিযোগ উঠেছে।
প্রতিদিন শুকনো ডাটা শাক, পাঙাশ ও সিলভার মাছের ছোট টুকরা আর নিম্নমানের রুটি দিয়েই চলছে খাবারের তালিকা। তবে এসব খাবার খেয়ে সন্তুষ্ট নন হাজতিরা। তাদের অভিযোগ, রুটি যেন ছালার বস্তার মতো— ঝাড়া দিলেই ধুলো উড়ে যায়।
অভিযোগে জানা গেছে, কারাগারে থাকা হাজতিরা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। তারা বলেন, মাঝে মাঝে ডিসি ফাইল, এডিএম ফাইল কিংবা জজ ফাইল হয়, কিন্তু কোনো কর্মকর্তাই সরাসরি হাজতিদের সঙ্গে কথা বলেন না। এদিকে কারাগারের ক্যান্টিনে পণ্য বিক্রি হলেও তার দাম এত বেশি যে দরিদ্র কয়েদিদের পক্ষে তা কেনা সম্ভব হয় না।
হাজতিদের দাবি, ক্যান্টিন চালানোর স্বার্থেই কর্তৃপক্ষ ইচ্ছাকৃতভাবে ভালো খাবার সরবরাহ করে না। ফলে গরিব ও অসহায় কয়েদিরা নিম্নমানের খাবার খেয়ে চরম কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।
নিজেকে ভুক্তভোগী দাবি করে এক হাজতি বলেন,
“দুই দিন পিসি কার্ডে টাকা না থাকায় জেলখানার খাবার খেতে বাধ্য হয়েছিলাম। কিন্তু খাবার এত নিম্নমানের ছিল যে খেতে পারিনি। জীবনে এত খারাপ সবজি আর মাছ খাইনি।”
আরেক হাজতি ওমর ফারুক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
“জেলের ভাত-তরকারি খেলে এক লোকমা মুখে দিলে দুই লোকমা উল্টে পেট থেকে উঠে আসে।”
এ বিষয়ে কারা কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
মন্তব্য